মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় যমুনা নদীতে খননযন্ত্র দিয়ে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্বে আবারও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার সকালে উপজেলার দুর্গম আলোকদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে এই এলাকায় কুপিয়ে ও গুলি করে একজনকে হত্যা করা হয়।
স্থানীয় ও শিবালয় থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলার তেওতা এলাকায় বালুমহাল ইজারা পেয়েছে মেসার্স ইকরাম কনস্ট্রাকশন। আজ সকাল ছয়টার দিকে যমুনা নদীর দুর্গম চর আলোকদিয়া এলাকায় ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে ১০–১২ জন ব্যক্তি আসেন। এরপর সেখানে তাঁরা তিনটি খননযন্ত্রে থাকা ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে ভয়ভীতি দেখাতে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে ট্রলার নিয়ে চলে যান। পরে খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
এর আগে গত ৩ এপ্রিল যমুনা নদীতে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে আলোকদিয়া এলাকায় মিরাজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি স্থানীয় তেওতা বালুমহাল ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক ছিলেন। পরে বালুমহাল ইজারাদার কাওছার আলম খান বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ছয়-সাতজনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক শরিফুল ইসলাম বলেন, আজ সকালে একদল সন্ত্রাসী ট্রলারে করে আলোকদিয়া চরে এসে দুই থেকে তিনটি গুলিবর্ষণ করে। এতে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও একটি গুলি তাঁদের বাল্কহেডে লাগে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
আজ রাত আটটার দিকে শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।