একটি বাড়ির তিন স্থানে এমন বোমাসদৃশ বস্তু রাখা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায়
একটি বাড়ির তিন স্থানে এমন বোমাসদৃশ বস্তু রাখা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায়

কলারোয়ায় বাড়িতে ‘বোমাসদৃশ’ তিন বস্তুর সুরাহা ২৭ ঘণ্টায়ও হয়নি, অপেক্ষা বোমাবিশেষজ্ঞ দলের

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় একটি বাড়িতে বোমাসদৃশ তিনটি বস্তু পাওয়ার পর গত ২৭ ঘণ্টায় সেগুলো পরীক্ষা করে দেখা সম্ভব হয়নি। প্রথমে পুলিশ অবস্থান নিলেও এখন ওই বাড়িটি গ্রাম পুলিশ পাহারা দিচ্ছে।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহিন বলেন, বোমাসদৃশ বস্তুগুলো পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গতকাল দুপুরের দিকে যশোর সেনানিবাসে বোমাবিশেষজ্ঞ দলকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত যশোর সেনানিবাসের কোনো দল কলারোয়া আসেনি। এলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ জানায়, গতকাল সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দনপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় দুই বোন সাজেদা ও মাজিদা সকালে ঘুম থেকে উঠে বাইরে বের হতে গেলে তাঁরা বাড়ির কলাপসিবল গেট, রান্নাঘর ও একটি শজনেগাছে বাঁধা অবস্থায় তিনটি বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পান। ভয়ে তাঁরা ঘর থেকে বের হতে না পেরে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানান। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন।

দুই বোন সাজেদা ও মাজিদার দাবি, কয়েক মাস আগে প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল। এর পর থেকেই তাঁদের বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

কলারোয়া থানার ওসি এইচ এম শাহিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গতকাল সকাল নয়টার দিক থেকে চন্দনপুর গ্রামের ওই বাড়িটি ঘেরাও করে রাখে। পরে বিকেল পাঁচটার পর থেকে সেখানে গ্রাম পুলিশকে পাহারায় রাখা হয়েছে।