হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে সাংবা‌দিক‌দের উদ্দেশে বক্তব্য দেন বান্দরবানোর সিভিল সার্জন শাহীন হোসাইন চৌধুরী। আজ দুপুরে সিভিল সার্জন সম্মেলন কক্ষে
হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে সাংবা‌দিক‌দের উদ্দেশে বক্তব্য দেন বান্দরবানোর সিভিল সার্জন শাহীন হোসাইন চৌধুরী। আজ দুপুরে সিভিল সার্জন সম্মেলন কক্ষে

আলীকদমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে: সিভিল সার্জন

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় হাম–রুবেলার টিকাদান কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। চলমান টিকাদান কার্যক্রম ১০ মে পর্যন্ত চলবে। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন শাহীন হোসাইন চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।

টিকাদান কার্যক্রম শতভাগ ছাড়িয়ে যাওয়ার পরও আলীকদমে হামের উপসর্গ কমছে না কেন, জানতে চাইলে সিভিল সার্জন কোনো উত্তর দেননি। দুপুর সাড়ে ১২টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে হাম-রুবেলা টিকাদানের চলমান কর্মসূচি নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সিভিল সার্জন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আলীকদমে ২০ এপ্রিল টিকাদান কর্মসূচির শুরুতে ৭ হাজার ৯৩২ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। গতকাল ৬ মে পর্যন্ত ৮ হাজার ৪ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। জেলার সাত উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। গত বছরের অর্জন ছিল ৯৪ শতাংশ।

এ সময় সাংবাদিকেরা জানতে চান, প্রত্যন্ত এলাকায় টিকা দেওয়া হয়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। কোনো পরিবারে টিকা কার্ডও পাওয়া যায়নি। তাহলে লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ শতাংশ ও শতভাগ কীভাবে অর্জিত হলো? সিভিল সার্জন বলেন, এটা সত্য যে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন অনেক এলাকায় নিরাপত্তা সমস্যায় মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকা কার্যক্রম চালাতে পারেন না। ম্রো জনগোষ্ঠীর লোকজনও অনেকে টিকা গ্রহণে আগ্রহী নন।

সংবাদ সম্মেলনে আলীকদমের হামের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে সিভিল সার্জন বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে আজ ৭৬ জন চিকিৎসাধীন। এ পর্যন্ত মোট ১৬৬ রোগী পাওয়া গেছে। জেলার সাত উপজেলায় ২৫৩ জন হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।