দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট

ঝড়বৃষ্টির কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে এক ঘণ্টা বন্ধের পর ফেরি চালু

বৈরী আবহাওয়ার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে প্রায় এক ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার পর থেকে ফেরি বন্ধ হয়ে রাত আটটার পর আবার ফেরি চালু হয়। এ সময় নদী পাড়ি দিতে আসা বেশ কিছু গাড়ি উভয় ঘাটে আটকা পড়ে। এ ছাড়া এই নৌপথে কিছু বড় লঞ্চ ছাড়া অধিকাংশ লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে। একপর্যায়ে বৈশাখী ঝড় শুরু হলে নৌযান চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি দেখা দেয়। পরে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে সন্ধ্যা সোয়া সাতটা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় দৌলতদিয়া প্রান্তে ৪ নম্বর ঘাটে কেটাইপ (মাঝারি) ফেরি বাইগার ও ফরিদপুর এবং ৭ নম্বর ঘাটে রো রো (বড়) ফেরি এনায়েতপুরী ও ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা নামক চারটি ফেরি নোঙর করে থাকে।

একইভাবে পাটুরিয়া প্রান্তে ৩ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি শাহ মখদুম, কেরামত আলী, ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি বনলতা, রো রো শাহ পরান এবং ৪ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি ভাষাশহীদ বরকত এবং ৫ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নোঙর করে থাকে। বেশির ভাগ ফেরি যানবাহন বোঝাই করে ঘাট ছাড়ার অপেক্ষা করছিল। প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধের পর রাত আটটার দিকে পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এলে ফেরিগুলো একে একে ঘাট ছাড়তে শুরু করে।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম জানান, প্রচণ্ড কালবৈশাখী, বৃষ্টি এবং বাতাসের কারণে পদ্মা নদী উত্তাল হয়ে পড়লে সন্ধ্যা সোয়া সাতটা থেকে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় অধিকাংশ ফেরি যানবাহন লোড নিয়ে উভয় ঘাটে নোঙর করে থাকে। প্রায় এক ঘণ্টা পর রাত আটটার পরপর পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এলে ফেরি ছাড়া হয়।