ফুচকা তৈরির টেবিলে কুকুরের পায়ের ছাপ দেখানো হচ্ছে। আজ দুপুরে বগুড়া শহরের নওয়াববাড়ি সড়ক এলাকায়
ফুচকা তৈরির টেবিলে কুকুরের পায়ের ছাপ দেখানো হচ্ছে। আজ দুপুরে বগুড়া শহরের নওয়াববাড়ি সড়ক এলাকায়

ফুচকা তৈরির টেবিলজুড়ে কুকুরের পায়ের ছাপ, দোকানির এক বছর কারাদণ্ড

অপরিচ্ছন্ন টেবিলের এখানে–সেখানে কাদা ও ময়লামাখা। এর মধ্যে ফুটে উঠেছিল কুকুরের পায়ের ছাপ। টেবিলটি পরিষ্কার না করেই এতে বানানো হচ্ছিল ফুচকা। শুধু তা–ই নয়, ফুচকা তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছিল নিষিদ্ধ রাসায়নিক হাইড্রোজ। পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে বগুড়া শহরের নওয়াববাড়ি সড়কে এ অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বগুড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমাদ।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম সাকিব হোসেন। তিনি নওয়াববাড়ি সড়কে অবস্থিত ‘মুন কাচ্চি’ ও ‘মুন ফুচকা’ নামের প্রতিষ্ঠানের মালিক।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য আইন–২০১৩–এর ৩৩ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে সাকিব হোসেনকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি হচ্ছিল ফুচকা

এর আগে সকালে নগরীর ফতেহ আলী বাজারের ফটক এলাকায় ‘ঘোষ মিষ্টান্ন ও দই’–এর কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দই তৈরি ও বিএসটিআই–এর সনদ না থাকায় কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বগুড়ার কর্মকর্তা মো. রাসেল প্রথম আলোকে বলেন, ঘোষ মিষ্টান্ন ও দই কারখানায় অভিযান শেষে ফেরার পথে ‘মুন কাচ্চি এবং মুন ফুচকা’ নামের দোকানে যাওয়া হয়। সেখানে ফুচকা তৈরির টেবিলে ছিল কুকুরের পায়ের ছাপ ও কাদা-ময়লা। অপরাধ স্বীকার করায় ফুচকা দোকানি সাকিব হোসেনকে এক বছরের দণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।