স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আজ শনিবার চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে যান
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আজ শনিবার চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে যান

আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বদলালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত দুই ঘণ্টা পর বদলে ফেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল)। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি আকস্মিক পরিদর্শনে চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালটি ঘুরে বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা এবং জলাতঙ্কের টিকা না থাকার বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি তাৎক্ষণিক মন্ত্রণালয়ে কল করে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন।

পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলেন। তখন তিনি তাঁকে বদলির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, রান্নাঘরসহ বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেন। তিনি পরে হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বহু জেলায় বহু হাসপাতাল দেখেছি। কিন্তু চাঁদপুর সদর হাসপাতালের মতো সুন্দর, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ কোথাও দেখিনি। এতে আমি সেটিসফায়েড।’ তিনি হাসপাতালের অবকাঠামো সমস্যা, লোকবল সমস্যা, আইসিইউ সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এ ছাড়া ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার, নৌ অ্যাম্বুলেন্সের দ্রুত ব্যবস্থা করার কথাও বলেন।

এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পৌর প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন, চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এ কে এম মাহবুবুর রহমানসহ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ নূর আলম দীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘হাইমচরে র‍্যাবিসের টিকা শেষ হয়ে গিয়েছিল, এ জন্য স্যার একটু রাগ করেছিলেন। তবে পরে আমাকে মন্ত্রী মাফ করে দেন।’