
গাজীপুরের শ্রীপুরের কেওয়া ব্যাপারীবাড়ি এলাকায় বিএনপি নেতা বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এ সময় মোটরসাইকেলসহ আসবাব ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১টায় শ্রীপুর থানার পুলিশ এ অভিযান চালায়।
বিল্লাল হোসেন শ্রীপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। অভিযানের সময় তিনি ও তাঁর পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর দাবি, রাত একটার দিকে শ্রীপুর থানা থেকে পুলিশের ১০-১২ জন সদস্য তাঁর বাড়ির প্রধান ফটকে আসেন। তাঁরা প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হয়ে একপর্যায়ে প্রধান ফটক টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন। বাড়িতে কাউকে না পেয়ে পার্কিং এলাকায় রাখা একটি স্কুটি ও কিছু জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন তাঁরা। এ ছাড়া ফটকের সামনে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরাটিও ভেঙে ফেলা হয়।
বিল্লাল হোসেনের স্বজন মো. ইসহাক প্রথম আলোকে বলেন, ‘শ্রীপুর থানার একদল পুলিশ বাসার গেট ভাঙার চেষ্টা করে। পরে গেট টপকে ভেতরে যায়। তারা চলে যাওয়ার পর বাসায় গিয়ে দেখি, মোটরসাইকেল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছে তারা। পুলিশ দেখে বাসার বাইরে নিরাপদে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ঘটনাটি দেখে আতঙ্কিত হয়েছি।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এফ এম নাসিম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, পরোয়ানাভুক্ত আসামি হওয়ায় বিল্লালকে গ্রেপ্তারের জন্য তাঁর বাড়িতে পুলিশ গিয়েছিল। কিন্তু তিনি বাড়িতে ছিলেন না। অভিযানের সময় কোনো ভাঙচুর করা হয়নি। পুলিশ এমনটা কখনোই করে না। এসব অভিযোগ অসত্য।
স্থানীয় বিএনপির দাবি, গত ২০ দিনে শ্রীপুর থানায় বিএনপি নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ৩টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অর্ধশতাধিক নেতা–কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।