
চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী নাফিসা নাওয়ালের মৃত্যুর ঘটনায় টোয়িং ট্রাকের (রেকার) চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাতে নগরের ফ্রিপোর্ট এলাকা থেকে রেকারচালক শামীম বিশ্বাসকে (৩১) গ্রেপ্তার করা হয়। গত শনিবার ইপিজেড এলাকায় ওই রেকারের ধাক্কায় মারা যান নাফিসা (১৮)।
পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে পতেঙ্গা থানার নেভি হাসপাতাল গেটের বিপরীত সড়কে একটি রেকারের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন নাফিসা। তিনি অ্যাপভিত্তিক মোটরসাইকেলে করে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন। সংঘর্ষে তিনি সড়কে পড়ে যান। পরে একজন শিক্ষানবিশ চিকিৎসক তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নাফিসা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি নগরের কাঠগড় এলাকায় থাকতেন। গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলায়। তাঁর বাবা মামুন মিয়ার একমাত্র মেয়ে ছিলেন তিনি। শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা ছিল তাঁর। শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সক্রিয় ছিলেন নাফিসা।
নাফিসা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি নগরের কাঠগড় থাকতেন। গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলায়। তাঁর বাবা মামুন মিয়ার একমাত্র মেয়ে ছিলেন তিনি। শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা ছিল তাঁর। শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সক্রিয় ছিলেন নাফিসা।
পুলিশ জানায়, নাফিসাকে যে ট্রাকটি ধাক্কা দিয়েছিল, সেটি একটি রেকার। সাধারণত বিকল বা দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন টেনে নেওয়া এবং সড়ক থেকে সরানোর কাজে এ ধরনের ট্রাক ব্যবহার করা হয়। এ ঘটনায় নাফিসার বাবা মামুন মিয়া বাদী হয়ে চট্টগ্রাম ইপিজেড থানায় মামলা করেছেন। মামলায় টোয়িং ট্রাকের চালককে আসামি করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর তিনি পালিয়ে যান।
গ্রেপ্তার শামীম বিশ্বাস ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স গ্রুপের রেকারচালক। বাড়ি মাগুরা জেলায়। চট্টগ্রাম নগরের জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ এলাকায় ম্যাক্সের সাইট অফিসে থাকেন তিনি। ঘটনার পর তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। পরে রোববার রাতে ফ্রি পোর্ট এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, নাফিসা নগরীর পতেঙ্গার কাঠগড় এলাকার বাসিন্দা মামুন মিয়ার মেয়ে। ইপিজেড থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেছিলেন মামুন মিয়া। ওই মামলায় গ্রেপ্তার শামীমকে আজ সোমবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।