
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, আগামী জানুয়ারি থেকে ৩০ জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক বিএনপি নেবে না, তারেক রহমানও নেবেন না।
মীর শাহে আলমের ভাষ্য, এ কারণে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও দল নিরপেক্ষ করতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে গাইবান্ধা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন মীর শাহে আলম। এ সময় গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি মইনুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুন্নবীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মীর শাহে আলম বলেন, নির্বাচন কমিশন চাইলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়েও সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে আসতে পারেন, এ জন্য যা যা করা প্রয়োজন, সরকার তা করবে।
আমি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এখানে দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। আমি আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করে আস্তে আস্তে দেখি যে কতটুকু উন্নয়ন করলে আপনাদের সন্তুষ্ট করা যায়।মীর শাহে আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনারা এখান থেকে যাঁদের নির্বাচিত করেন, তাঁরা কখনোই সরকার গঠন করতে পারবেন না। আপনাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যদি সরকার গঠন করতে না পারেন, স্বাভাবিকভাবে সে এলাকা তো একটু অবহেলিত থাকবেই।’
মীর শাহে আলম বলেন, ‘এ বিষয়টা মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যেখানে আমাদের নির্বাচিত এমপি থাক বা না থাক, প্রতিটি জেলা যাতে সুষম উন্নয়নের আওতায় আসে, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী তাঁর ক্যাবিনেট থেকে ৩০ জন মন্ত্রীকে ৬৪ জেলার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এখানে দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। আমি আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করে আস্তে আস্তে দেখি যে কতটুকু উন্নয়ন করলে আপনাদের সন্তুষ্ট করা যায়।’
পরে জেলা প্রশাসকের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি ও জেলা সমন্বয় কমিটির পৃথক দুটি সভায় যোগ দেন প্রতিমন্ত্রী।