
ফেনী-২ আসনে (সদর) ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘পরিবর্তন কঠিন কাজ, কাউকে না কাউকে এই পরিবর্তনের জন্য কাজটা শুরু করতে হয়। আমরা সেটা শুরু করেছি, সংস্কারের জন্য কাজ করছি। অনেক লড়াই বাকি আছে। সংস্কার কেন দরকার, যুক্তিতর্ক দিয়ে ঐকমত্য কমিশনে প্রমাণ করেছি। জুলাই সনদ সরকারের মৌলিক কার্যক্রম। কিন্তু দেশের দায়িত্বশীল দলের মধ্যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে একটি দল সংস্কারের ক্ষেত্রে অনেকগুলো নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে। যার কারণে সংস্কার কার্যক্রম অনেকটা বিলম্বিত হয়েছে।’
আজ বুধবার দুপুরে ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ঈগল মার্কা বুঝে পেয়ে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা বলেন মঞ্জু। এ সময় মঞ্জুর সঙ্গে ছিলেন ফেনী-২ আসনে এবি পার্টিকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান, সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহিম, এবি পার্টির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম, দলটির জেলা আহ্বায়ক আহসানুল্লাহ, সদস্যসচিব ফজলুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা সদস্যসচিব শাহ ওয়ালি উল্লাহ, খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক আজিজ উল্লাহ প্রমুখ।
মজিবুর রহমান মঞ্জু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনতার রায় পাবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়ার কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, তাঁর এই ত্যাগ আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে মনে রাখবে ফেনীবাসী। এ সময় লিয়াকত আলী ভূঁইয়াকে রাজনৈতিক গুরু আখ্যা দেন মঞ্জু।
জেলা জামায়াতের আমির লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, ‘দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি। একই সঙ্গে মজিবুর রহমান মঞ্জুকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে জয়ী করতে কাজ করার ঘোষণা দিচ্ছি।’
প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে মজিবুর রহমান মঞ্জু জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ শিহাবের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় জেলা জামায়াত, এবি পার্টি, এনসিপিসহ ১০–দলীয় নির্বাচনী জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।