ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপি ও একটিতে জামায়াতের প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
বিএনপির বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর-সিরাজগঞ্জ সদরের একাংশ) থেকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসন থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসন থেকে আয়নুল হক, সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) থেকে বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান ও সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাহাদপুর) থেকে জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এম এ মুহিত। অপর দিকে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহ–সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বিজয়ী হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর-সিরাজগঞ্জ সদরের একাংশ) আসনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১৬৫। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী সেলিম রেজা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাওলানা শাহীনুর আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৭৩২ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৮ হাজার ৪০০।
সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসনে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৬২। এই আসনে বিএনপি–মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৫ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান ৪০ হাজার ৪৩ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৮টি। এ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে আয়নুল হক ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতিকের ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মুহাম্মদ আবদুর রউফ সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮০২ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১৪৭। এই আসনে জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৩১। এই আসনে বিএনপি–মনোনীত প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১ঌ৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। অপর দিকে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আলী আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৮ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাহাদপুর) আসনে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১৬০। এই আসনে বিএনপি–মনোনীত প্রার্থী এম এ মুহিত ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭২ হাজার ১১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১–দলীয় ঐক্যের শরিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এস এম সাইফ মোস্তাফিজ পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৭০৪ ভোট।