ডিপো থেকে তেল নিয়ে বের হচ্ছে ট্যাংকলরি। আজ রোববার দুপুরে খুলনার দৌলতপুরে মেঘনা পেট্রালিয়ামের ডিপোর সামনে
ডিপো থেকে তেল নিয়ে বের হচ্ছে ট্যাংকলরি। আজ রোববার দুপুরে খুলনার দৌলতপুরে মেঘনা পেট্রালিয়ামের ডিপোর সামনে

খুলনায় ডিপো থেকে তেল উত্তোলন শুরু

সরবরাহ বাড়ানোর আশ্বাসে খুলনার কেন্দ্রীয় তিনটি জ্বালানি তেল ডিপো থেকে আবারও তেল উত্তোলন শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। আজ রোববার দুপুর থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে ট্যাংকলরিতে তেল সংগ্রহ শুরু হয়।

খুলনা বিভাগীয় জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ডিপো থেকে আগের তুলনায় তেলের সরবরাহ কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে আজ দুপুর থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ না পাওয়ার প্রতিবাদে গতকাল শনিবার সকাল থেকে খুলনা বিভাগের ১০টি ও বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায় জ্বালানি ব্যবসায়ীরা স্বেচ্ছায় ওই ডিপো থেকে তেল নেওয়া বন্ধ রাখেন। শনিবার দিনভর পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপোতে কোনো ট্যাংকলরি প্রবেশ করতে দেননি আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শনিবার সন্ধ্যা থেকে ডিপো এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আজ থেকে আগের মতো ডিপো থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সব ব্যবসায়ীকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুলনা বিভাগসহ ১৫ জেলায় প্রতিদিন অকটেন, পেট্রল ও ডিজেলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৩৬ লাখ লিটার। অথচ তিনটি ডিপো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছিল মাত্র সাড়ে ১০ লাখ লিটার। এর প্রতিবাদে শনিবার দিনভর ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ থাকায় সন্ধ্যার পর খুলনার অধিকাংশ পেট্রলপাম্পে তেলশূন্যতা দেখা দেয়।