ধানখেতে পড়ে থাকা কৃষকের লাশটি সকালে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়
ধানখেতে পড়ে থাকা কৃষকের লাশটি সকালে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়

ইঁদুর মারা বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে ছিল কৃষকের লাশ

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ধানখেত থেকে এক কৃষকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ গোরকাটা গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত কৃষকের নাম খাজা মাইনউদ্দিন ওরফে মানিক (৪৮)। তিনি ওই এলাকারই বাসিন্দা। তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ির কাছে নিজের ও প্রতিবেশী জাকির হোসেনের জমির পাশ থেকে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান খাজা মাইনউদ্দিন। এরপর বাড়ি না ফেরায় স্বজনেরা রাতে তাঁকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। আজ সকালে বাড়ি থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে ধানখেতের আইলে তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখানে ইঁদুরের উৎপাত থেকে ফসল রক্ষার জন্য পেতে রাখা বৈদ্যুতিক ফাঁদে তাঁর পা জড়িয়ে ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।

সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন জানান, স্থানীয় বাসিন্দা জাকির হোসেন তাঁর খেতের ফসল ইঁদুরের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য খেতের চারপাশ ঘিরে খোলা জিআই তার দিয়ে এই বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করে রেখেছিলেন বলে জানা গেছে। ওই ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খাজা মাইনউদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হযরত আলী আরও বলেন, ‘জেনেশুনে খেতের আইলে খোলা তার দিয়ে এভাবে অবৈধ বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করা খুবই বিপজ্জনক এবং অপরাধ। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’