আট দফা দাবিতে ১১–দলীয় ঐক্যের রংপুর অভিমুখী লংমার্চ আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়ক অতিক্রম করে
আট দফা দাবিতে ১১–দলীয় ঐক্যের রংপুর অভিমুখী লংমার্চ আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়ক অতিক্রম করে

১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চের কত গাড়ি যমুনা সেতু পার হলো

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে রংপুর লংমার্চ বহরের সাড়ে চার শর মতো গাড়ি যমুনা সেতু পার হয়েছে। যমুনা সেতুর টোল প্লাজা সূত্র এ তথ্য দিয়েছে।

আজ শনিবার সকালে আট দফা দাবিতে ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে লংমার্চ শুরু করে ১১–দলীয় ঐক্য। লংমার্চের গাড়িবহর বেলা সোয়া ১১টায় টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়কের নগর জালফৈ মোড়ে পৌঁছে।

সেখানে পথসভায় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদ, বিরোধীদলীয় চিপ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রমুখ বক্তব্য দেন।

১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চকে স্বাগত জানাতে সড়কের পাশে নেতা–কর্মীদের অবস্থান। আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়ক অতিক্রম করার সময়

পরে লংমার্চের গাড়িরবহর রংপুরের উদ্দেশে টাঙ্গাইল ত্যাগ করে। যমুনা সেতু টোল প্লাজা সূত্র জানায়, দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে লংমার্চের মূল বহরটি সেতুর পূর্ব প্রান্তের (টাঙ্গাইলের দিকে) টোল প্লাজায় পৌঁছে। তারপর টোল দিয়ে সেতু পার হওয়া শুরু করে। বিভিন্ন লেন দিয়ে দুপুর ১২টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত লংমার্চের গাড়িগুলো উত্তরবঙ্গের দিকে পার হয়ে যায়।

এ ছাড়া লংমার্চের মূল বহর আসার আগে বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকটি এবং মূল বহর চলে যাওয়ার পরও লংমার্চের স্টিকারযুক্ত কিছু গাড়ি সেতু পার হয়। সব মিলিয়ে লংমার্চের ৪৩০ থেকে ৪৫০টি গাড়ি সেতু পার হয়েছে বলে টোল প্লাজা সূত্র জানিয়েছে।

চট্টগ্রামের ছয় দাবি, রংপুরে আরও দুই

৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চে ছয় দফা দাবি সামনে রেখেছিল ১১ দল। দাবিগুলো ছিল— গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-জ্বালানি, তেল-গ্যাস ও সারসংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ।

রংপুরের কর্মসূচিতে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি। অর্থাৎ জাতীয় রাজনীতির বিষয়গুলোর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের একটি আঞ্চলিক ইস্যুকেও সামনে এনেছে জোট। জোটের নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের মানুষের দাবিকে বিবেচনায় নিয়েই তিস্তা মহাপরিকল্পনাকে কর্মসূচির অংশ করা হয়েছে।

রংপুর জিলা স্কুল মাঠের সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে আজকের লংমার্চ শেষ হওয়ার কথা।