
শেরপুরে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে বিক্ষোভটি শুরু হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের মোড়, আলাওল ও এ এফ রহমান হল ঘুরে আবার গোলচত্বরের সামনে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভ শেষে গোলচত্বর এলাকায় সমাবেশ করে সংগঠনটি। শাখা ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক হাবিবউল্লাহ খালেদ এ সমাবেশের সঞ্চালনা করেন। তিনি বলেন, ‘বিএনপি নিজেদের কোন্দলে দুই শতাধিক মানুষ হত্যা করেছে। একের পর এক হত্যার ধারাবাহিকতায় এখন তাঁরা নির্বাচনের আগেও মানুষ হত্যা শুরু করেছে। আমরা ভেবেছিলাম তাদের নেতা দেশে ফিরে সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ করবেন। কিন্তু তিনি দেশজুড়ে বক্তব্য দিলেও হামলা ও মামলার বিষয়ে কিছু বলেন না।’
শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ধারাবাহিকতায় এখন ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি এগোচ্ছে। জুলাইয়ের সময়ে আমরা যেমন জীবন দিয়ে তাদের (আওয়ামী লীগ) বিতাড়িত করেছি, প্রয়োজন হলে একইভাবে আপনাদেরও (বিএনপি) বিতাড়িত করা হবে।’
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন শাখা শিক্ষা সম্পাদক সাইদুজ্জামান মুজাহিদ, প্রচার সম্পাদক ও চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভূঁঞা প্রমুখ।
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে গতকাল বুধবার উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বসার আসন নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার জেরে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মাওলানা রেজাউল করিম আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ছিলেন। তিনি ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবির প্রভাষক ছিলেন।