রাজশাহীর পবা উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১১ ঘণ্টা পর মো. আদিব (১১) নামে এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার কর্ণহার থানার ধরমপুর গ্রামের ধানখেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আদিব ওই গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর রহমান রানার ছেলে। পেশায় তিনি ফার্মেসি ব্যবসায়ী। আদিব স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রোববার রাতে আদিব তার দাদা শামসুল হুদার সঙ্গে ধরমপুর জামে মসজিদে তারাবিহর নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু নামাজ শেষে আর বাড়ি ফেরেনি। রাতে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেন, কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাননি। আজ সকাল সাতটার দিকে স্থানীয় লোকজন গ্রামের একটি ফসলি জমিতে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে কর্ণহার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটির পরনের প্যান্টের বেল্ট গলায় পেঁচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। তিনি ঘটনাস্থলে আছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।