
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং একটি আসনে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
ভোট গণনা শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেসরকারিভাবে এই ফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
এ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। ১৬৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাহবুবুল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট।
মোস্তাফিজুর রহমান ২০ হাজার ৪৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
আসনটিতে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী এনামুল হক। মোট ১২৪টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সামসুজ্জোহা খান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩ ভোট।
৬ হাজার ৯৯৩ ভোটের ব্যবধানে এনামুল হক বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
এ আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ফজলে হুদা বাবুল। মোট ১৪২টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট।
৪৭ হাজার ৮০৮ ভোটের ব্যবধানে ফজলে হুদা বাবুল বিজয়ী হয়েছেন।
আসনটিতে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইকরামুল বারী। ১১৭টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রাকিব দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮১৪ ভোট।
বেসরকারি ফলাফলে ৩৬ হাজার ৯৮৭ ভোটের ব্যবধানে ইকরামুল বারী বিজয়ী হয়েছেন।
আসনটিতে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম। ১১৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু সাদাত মো. সায়েম ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট।
বেসরকারি ফলে মোট ২৫ হাজার ১৩০ ভোটের ব্যবধানে জাহিদুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
এ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম। মোট ১১৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি ১ লাখ ৮ হাজার ৭০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খবিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট।
মোট ১২ হাজার ১৮৪ ভোটের ব্যবধানে শেখ রেজাউল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
নওগাঁর ছয়টি আসনে বিএনপি, জামায়াত, স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন দলের মোট ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ছয়টি আসনে মোট ভোটার ছিলেন ২৩ লাখ ২৯ হাজার ৫৯২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ জন, নারী ভোটার ১১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২১ জন।