
স্ত্রীকে নিয়ে খাগড়াছড়ির আলুটিলার রিছং ঝরনায় বেড়াতে গিয়েছিলেন এনায়েত হোসেন ওরফে সৌরভ (৩২)। ঝরনা দেখে ফেরার পথে তাঁদের বহনকারী অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয় একটি মাইক্রোবাস। দুর্ঘটনায় এনায়েতের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী প্রিয়া আক্তার (২৩) ও অটোরিকশাচালক মুসলিম মিয়া (৫৫) গুরুতর আহত হন। তিনজনকে জেলার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এনায়েতের মৃত্যু হয়।
আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত এনায়েত খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের বাংলোর কর্মচারী ছিলেন। তিনি জেলা শহরের মোল্লাপাড়া এলাকার আল এমরানের ছেলে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কায় কিসলু বলেন, সকালে স্ত্রী প্রিয়া আক্তারকে নিয়ে রিছাং ঝরনায় বেড়াতে যান এনায়েত। ফেরার পথে হৃদয় মেম্বারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মাটিরাঙ্গাগামী একটি মাইক্রোবাস সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এ সময় চালকের পাশেই বসা ছিলেন সৌরভ। ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাঁদের তিনজনকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলা দেড়টার দিকে সৌরভকে মৃত ঘোষণা করেন। মাইক্রোবাসের চালক দুর্ঘটনার পরপরই পালিয়ে যান। তবে পুলিশ মাইক্রোবাসটি জব্দ করে মাটিরাঙায় থানায় নিয়ে যায়। এনায়েতের আহত স্ত্রী প্রিয়া আক্তার ও অটোরিকশাচালক মুসলিম আক্তার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।