অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম
অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম

অচলাবস্থার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে না এসেই চুয়েটে নতুন উপাচার্যের যোগদান

উপাচার্যের অপসারণের প্রতিবাদে ও সাবেক উপাচার্যের পুনর্বহালের দাবিতে তিন দিন ধরে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ অচলাবস্থার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে না এসেই যোগদান করেছেন চুয়েটের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম।

আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর যোগদানপত্র পাঠিয়ে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন বলে প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন নতুন উপাচার্য। তিনি বলেন, ‘আমি যথাযথ নিয়ম মেনে মন্ত্রী এবং সচিব মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলে যোগদান করেছি।’

সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে মানবন্ধন করছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চুয়েটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শেখ মুহাম্মদ হ‌ুমায়ূন কবির জানান, তিনি এখন আর রেজিস্ট্রার পদে নেই। তিনি বলেন, ‘আমি এখন আর রেজিস্ট্রার নই। তবে এটা বলতে পারি যে চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী কর্মস্থলে এসেই উপাচার্যকে যোগদান করতে হয়। পাশাপাশি নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হয়। এ ক্ষেত্রে এমন কিছু হয়নি। এখন সেটা বৈধ নাকি অবৈধ, সেটি মন্ত্রণালয় বলতে পারবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বক্ষণিক অবস্থানের বিষয়ে নতুন উপাচার্য শরিফুল আলম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেই যে যোগদান করতে হবে, এমন কথা নেই। আমি সচিব, মাননীয় মন্ত্রী—সবার সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত করেছি। তাঁরা বলেছেন, আমি যেখানে বসব, সেটাই আমার অফিস। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে তো অনেক সময় উপাচার্যকে বাইরে থাকতে হয়। তখন তো সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে থাকা হয় না। এ রকমভাবে আমিও বাইরে আছি। এখানে আস্থার সংকট হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে, সেটি সমাধান করা হবে।’