
ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে চলছে মন্তব্য করে কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র না হলে জামায়াতে ইসলামী বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। সুষ্ঠু নির্বাচনের যেকোনো রায় জামায়াতে ইসলামী মেনে নেবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের পশ্চিম ডেকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে। এভাবে যদি নির্বাচন চলে, তাহলে মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভোট গ্রহণ শেষ হবে বলে আমি আশা করি। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে যদি কোনো ষড়যন্ত্র না হয়, যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, তাহলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। সারা দেশ থেকে আলহামদুলিল্লাহ ভালো খবর পাচ্ছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের যেকোনো রায়কে জামায়াতে ইসলামী মেনে নেবে ইনশা আল্লাহ। আর নির্বাচন নিয়ে যদি গভীর কোনো ষড়যন্ত্র হয়, তাহলে আমরা মনে করি, এটি দেশের জন্য অত্যন্ত অকল্যাণ হবে এবং দেশকে আবার অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে।’
জামায়াতের নায়েবে আমির আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত চৌদ্দগ্রামে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন রয়েছে। প্রশাসনের লোকেরা তৎপর রয়েছে। নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা রয়েছে। মানুষ উৎসাহ নিয়ে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। আমি আশাবাদী ইনশা আল্লাহ আমরা বিজয় অর্জন করব। দু-একটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও আমরা সেটিকে বড় করে দেখছি না। কারণ, ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সেটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত হয়। এখন পর্যন্ত নির্বাচন খুবই ভালো হচ্ছে।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘২০০১ সালে ৪–দলীয় জোটের প্রার্থী হলেও আমি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করেছি এবং বিজয়ী হয়েছি। ২০১৮ সালে আমাদের জোটের কারণে এবং উচ্চ আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞার কারণে আমি ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেছিলাম। কিন্তু সেই নির্বাচনে আমি চৌদ্দগ্রামে ঢুকতে পারেনি। সেই কারণে দাঁড়িপাল্লার অভিজ্ঞতা ২০০১ থেকে এবার অনেক ভালো। মানুষের মধ্যে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জোয়ার দেখছি। আমি বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী ইনশা আল্লাহ।’
ভোটার উপস্থিতি নিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘আমরা আশাবাদী অন্তত ৭০ ভাগ ভোট কাস্ট হবে। কারণ অনেক মানুষ বিদেশে আছে। আবার অনেকে ভোট দেওয়ার জন্য বিদেশ থেকে দেশে এসেছে। এখন যে পরিস্থিতিতে নির্বাচন হচ্ছে। এটি শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকলে আমরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হব বলে আশা করছি।’