নিহত যুবদল নেতা ফজলুল আমিন
নিহত যুবদল নেতা ফজলুল আমিন

চট্টগ্রামে যুবদল নেতাকে ঘুষি মেরে হত্যার অভিযোগ

চট্টগ্রাম নগরে সড়কে পণ্য বিক্রির রিকশাভ্যান বসানো নিয়ে বিরোধের জের ধরে যুবদল নেতাকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় বিএনপি ‘নেতা’ পরিচয়ধারী এক ব্যক্তির ঘুষিতে ফজলুল আমিন নামের যুবদলের ওই নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ।

নগরের চান্দগাঁও থানার ওমর আলী মাতব্বর বাড়ি এলাকায় গত শুক্রবার সকালে এই ঘটনা ঘটলেও তা জানাজানি হয় আজ শনিবার। নিহত ফজলুল আমিন নগরের পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহজাহান ও তাঁর ছেলে সিফাতের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৭ জনের বিরুদ্ধে চান্দগাঁও থানায় মামলা করেছে নিহতের পরিবার।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ওমর আলী মাতব্বর বাড়ি এলাকায় সড়কে একাধিক হকার রিকশাভ্যান বসিয়ে পণ্য বিক্রি করেন। শাহজাহান তাঁদের পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যুবদল নেতা ফজলুল আমিন এভাবে ভাসমান দোকান বসানোর বিরোধিতা করেছিলেন। এ নিয়ে দুজনের বিরোধ ছিল।

নিহত যুবদল নেতা ফজলুল আমিন আগে থেকে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ছিলেন জানিয়ে চট্টগ্রাম নগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ প্রথম আলোকে বলেন, রাজনৈতিক কারণে নয়, এলাকার বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। এটির সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনি ব্যবস্থা নেবে। যার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, তিনি বিএনপির পরিচয় দেন। ওই ব্যক্তি আদৌ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। এখন অনেকেই দলের পরিচয় দেন। অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন, এলাকার সড়কে হকার বসানো নিয়ে শাহজাহান ও ফজলুল আমিনের মধ্যে বিরোধ ছিল বলে শুনেছেন। শুক্রবার সকালে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় শাহজাহান ধাক্কা দিলে ফজলুল আমিন অসুস্থ হয়ে পরে মারা যান বলে শুনেছেন। এই ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।