গুলি
গুলি

কক্সবাজারের টেকনাফ

রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে দুটি ‘সন্ত্রাসী’ দলের গোলাগুলি, যুবক নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফের জাদিমোরা (ক্যাম্প-২৬) রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে দুটি ‘সন্ত্রাসী’ দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নুর কামাল নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার ভোরে আশ্রয়শিবিরটির আই ব্লকে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

নিহত নুর কামাল ওই আশ্রয়শিবিরের সি ব্লকের বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আশ্রয়শিবিরের একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

গোলাগুলির ঘটনার পর থেকে আশ্রয়শিবিরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ অবস্থায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আশ্রয়শিবিরটিতে প্রায় ৩৬ হাজার রোহিঙ্গার বসবাস।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আশ্রয়শিবিরের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিতে নুর কামাল নামের এক সন্ত্রাসীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় হত্যা, অপহরণ, ডাকাতি, মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলা রয়েছে।

ওসি মো. সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সন্ত্রাসীদের ধরতে আশ্রয়শিবিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলছে। আশ্রয়শিবিরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আশ্রয়শিবিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক মোহাম্মদ কাউছার সিকদার বলেন, ‘নিহত নুর কামাল একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। নিজের নামের বাহিনী গড়ে তোলে নুর কামাল রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির ও আশপাশের এলাকায় নানা অপরাধ সংঘটন করে আসছিলেন।’

স্থানীয় ব্যক্তিদের বরাতে অধিনায়ক কাউছার সিকদার বলেন, আশ্রয়শিবিরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নুর কামাল ও খালেক গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। তাঁদের মধ্যেই গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নুর কামাল নিহত হয়েছেন।