স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম

নারায়ণগঞ্জ-৩

এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনে ভোটকেন্দ্র থেকে নিজের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জন করেছেন ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম। আজ বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানান।

রেজাউল করিম বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী। এ আসনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। রেজাউল করিম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি সবগুলো কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিয়েছিলাম। আজ সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে ঘুরে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি কেন্দ্রে আমার এজেন্ট পাইনি। হুমকি-ধমকির কারণে তারা কেন্দ্রে আসতে পারেনি।’

রেজাউল করিম দাবি করেন, বিষয়টি নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মৌখিকভাবে জানানোর পর কিছু সময়ের জন্য সমাধান হয়। পরে আবার সমস্যা তৈরি হয়। এজেন্টদের হুমকি দেওয়ার জন্য তিনি ধানের শীষের স্থানীয় সমর্থকদের দায়ী করেন।

জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত প্রথম আলোকে বলেন, তিনি সকালে ফোন করে একটি কেন্দ্রে এজেন্ট না থাকার অভিযোগ করেছিলেন। তখন তাঁকে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছে এজেন্ট পাঠানোর অনুরোধ করেন। কিন্তু তাঁর কোনো এজেন্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করেননি। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘সোনারগাঁয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই মানুষ আনন্দের সঙ্গে ভোট দিয়েছে।’

সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ অঞ্চল নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ভোটার ৫ লাখ ৯৩ হাজার। এ আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁরা হলেন বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল করিম (ঘোড়া), বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক সংসদ সদস্য মো. গিয়াসউদ্দিন (ফুটবল), জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ (হাতপাখা), গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস (মাথাল), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. শাহজাহান (রিকশা), গণ অধিকার পরিষদের মো. ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী (ট্রাক), আমার বাংলাদেশ পার্টির মো. আরিফুল ইসলাম (ঈগল), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিকুর রহমান মুন্সী (বটগাছ) ও জনতার দলের আবদুল করিম মুন্সী (কলম)।