
ময়মনসিংহের সার্কিট হাউস ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে ভাষণ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে সকাল থেকেই সেখানে জড়ো হচ্ছেন দলের নেতা–কর্মীরা।
আজ সকাল ৯টার দিকে সভাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ৬৪ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৪৪ ফুট প্রস্থের সভামঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। মঞ্চের মাঝে এলইডি ও দুপাশে রয়েছে ব্যানার। মঞ্চের বাঁ দিকের ব্যানারে লেখা রয়েছে ‘আই হ্যাব এ প্ল্যান’ এবং ডান পাশে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। এ সভামঞ্চে আজ বেলা আড়াইটায় উপস্থিত হয়ে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।
জনসভাস্থলের চারপাশে সিএসএফ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। এর মাধ্যমে জনসভাস্থলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সভায় যোগ দিতে গতকাল রাত থেকে বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা আসতে শুরু করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে ময়মনসিংহে প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান। এরপর এই নির্বাচনী জনসভায় আসছেন। এই কর্মসূচিকে জনসমুদ্রে রূপ দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহ নগরজুড়ে পোস্টার ও প্যানায় স্বাগত জানানো হয়েছে তারেক রহমানকে।
জামালপুরের মেলান্দহ থেকে আসা নজর আলী (৫২) বিএনপির একজন কর্মী। তিনি বলেন, ‘ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনে সভাস্থলে এসেছি আমিসহ ৪০-৫০ জন। আগামীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কাছ থেকে দেখতে সকালে চলে এসেছি। এখন নেতার অপেক্ষায় রয়েছি।’
ভালুকা উপজেলার কাচিনা ইউনিয়নের তামাট গ্রামের আবদুল লতিফ সরকার সকালে সভাস্থলে আসেন। তিনি বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি না, তবে তারেক রহমানকে দেখতে এসেছি।’
এই কর্মসূচি উপলক্ষে গতকাল দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম জানান, সর্বশেষ ২০০৪ সালে তারেক রহমান ময়মনসিংহে ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভা করেছিলেন। প্রায় ২২ বছর পর নেতার এই আগমনে এলাকার মানুষ উচ্ছ্বসিত। সভায় তিনি বিভাগের ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা ও জামালপুরের ২৪টি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন। আশা করা হচ্ছে, তারেক রহমানের এই সমাবেশ জনসমুদ্রে রূপ নেবে। সার্কিট হাউস মাঠসহ সারা শহরেই লোকসমাগম থাকবে।