খুলনা নগরের লবণচরায় সড়কের ওপর থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে। গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে দরগা কাশেমিয়া মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শহীদুল (৩৫) ওই এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ বলছে, তিনি দুই-তিন দিন পরপর বাড়িতে আসতেন। শনিবার বিকেলে বাড়িতে এসে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বের হন। রাত ১১টার দিকে শহীদুলের বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে সড়কের ওপর তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় এক ব্যক্তি।
দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে শহীদুলকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। এলাকাটি কিছুটা নির্জন। কারা, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।সৈয়দ মোশারফ হোসেন, লবণচরা থানার ওসি
শহীদুলের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারফ হোসেন বলেন, দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে শহীদুলকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাতটি এবং একটি হত্যা মামলা আছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এলাকাটি কিছুটা নির্জন। কারা, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে খুলনায় গুলি, ধারালো অস্ত্রের আঘাতসহ বিভিন্নভাবে ৭২ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ৬৯টি। একই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি নিহত হওয়ায় হত্যাকাণ্ডের তুলনায় মামলার সংখ্যা কম।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এসব হত্যাকাণ্ডের বেশির ভাগের পেছনে অস্ত্র ও মাদক কারবার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, পূর্বশত্রুতা এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিরোধের মতো কারণ রয়েছে।