ধর্ষণ
ধর্ষণ

রাজবাড়ীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে আখখেতে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, মারধরের পর পুলিশে সোপর্দ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১২) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মারধর করে পুলিশে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার একটি মাদ্রাসা চত্বরে মারধরের এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জিল্লু মণ্ডল (৫০)। তিনি ভ্যানচালক।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার ও স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়ে মাদ্রাসার উদ্দেশে যাচ্ছিল ওই শিক্ষার্থী। পথে আখখেতের মাঝের কাঁচা রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তার মুখ চেপে ধরেন জিল্লু মণ্ডল। পরে ওই ছাত্রীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। তখন সেখান থেকে পালিয়ে যান জিল্লু।

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অভিযুক্ত জিল্লুকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়।

টনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। গতকাল বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন ওই মাদ্রাসায় যান। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্ত জিল্লু সেখানে উপস্থিত হলে তাঁকে মারধর করেন স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি। এ সময় তাঁরা বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অভিযুক্ত জিল্লুকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁকে আটক করে নিয়ে যায় পাংশা থানা-পুলিশ।

ঘটনাটির এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘আমরা কয়েকজন জিল্লুর বাড়িতে গেলে প্রথমে সে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। পরে স্বীকার করে।’

ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণচেষ্টার একটি মামলা করেছেন বলে জানিয়েছেন পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মঈনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গতকাল বিকেলেই আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ওই ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়।