
ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় চৈতী রানী (৫৫) নামের নারীকে সাপ ছোবল দেয়। পরে মাছ ধরার কোচ দিয়ে সাপটি আটকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে হাজির হন ওই নারী ও তাঁর স্বজনেরা। সাপটি বিষধর শনাক্ত করে তাঁকে অ্যান্টিভেনম দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
আজ সোমবার ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে চৈতী রানীকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলার দারাজগাঁও এলাকায় সাপের ছোবল খান চৈতী রানী। তিনি ওই এলাকার কুলীন চন্দ্র রায়ের স্ত্রী।
চৈতী রানীর পরিবারের বরাত দিয়ে দেবীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কমিরুল ইসলাম বলেন, রাত সাড়ে তিনটার পর তাঁর প্রতিবেশী কুলীন চন্দ্র রায় কল করে দ্রুত তাঁদের বাড়িতে যেতে বলেন। তিনি গিয়ে দেখেন, তাঁর স্ত্রী চৈতী রানীর বাঁ পায়ে সাপ ছোবল দিয়েছে। পরে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
রোগীর সঙ্গে সাপটি আনায় দ্রুত চিকিৎসা দিতে সুবিধা হয়েছে। ছোবল দেওয়া সাপটির নাম ‘বেন্ডেড ক্রেইট’, এটি বিষধর সাপ।জাহিদ হাসান,আরএমও
বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) জাহিদ হাসান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ওই নারীর বাঁ পায়ে সাপের কামড়ের দাগ ছিল এবং সাপের একটি দাঁত সেখানে লেগে ছিল। রোগীর সঙ্গে সাপটি আনায় দ্রুত চিকিৎসা দিতে সুবিধা হয়েছে। ছোবল দেওয়া সাপটির নাম ‘বেন্ডেড ক্রেইট’, এটি বিষধর সাপ। এ ধরনের সাপ সাধারণত ঘুমন্ত মানুষকেই কামড় দেয়। রোগীকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি ভালো আছেন।