ট্রলারে করে ফেরিতে এসে ছিনতাই

ছিনতাই
প্রতীকী ছবি

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরিতে এক যাত্রীর কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারীরা ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে ফেরিটিতে এসেছিল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যক্তি ও নৌপুলিশের সদস্যরা। ঘটনাস্থলেই আটক হন এক ব্যক্তি।

ভুক্তভোগী ব্যক্তির নাম হারুন সরদার (৩৮)। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খেজুরডাঙ্গা গ্রামে। স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন তিনি। আর ঘটনাস্থল থেকে আটক ব্যক্তির নাম খোকন মোল্লা (৩৭)। তাঁর বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উত্তর দৌলতদিয়া গ্রামে।

ছিনতাইকারীদের শিকার হওয়ার ঘটনায় শিবালয় থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী হারুন সরদার। মামলার এজাহার, পাটুরিয়া নৌ থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হারুন তাঁর স্ত্রী আয়েশা বেগমকে নিয়ে সুন্দরবন এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাসে ঢাকায় রওনা হন। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট থেকে শাহ মখদুম ফেরিতে পাটুরিয়া ঘাটে আসছিলেন তাঁরা। রাত ২টা ৫০ মিনিটে ফেরিটি যখন পদ্মা নদীর মাঝামাঝি, তখন হারুন বাস থেকে নিচে নামেন। নামার পর চার-পাঁচজন দুর্বৃত্ত তাঁকে চারদিকে ঘেরাও করে। ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাঁর পকেট থেকে মানিব্যাগসহ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। হারুনের চিৎকারে ফেরির অন্য যাত্রীরা এগিয়ে এসে খোকনকে হাতেনাতে আটক করেন। অন্যরা ট্রলার নিয়ে দ্রুত সটকে পড়েন।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পাটুরিয়া নৌ থানার টহল পুলিশ ওই ফেরি থেকে খোকনকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এ সময় তাঁর দেহ তল্লাশি করে লুট হওয়া কিছু টাকা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় বুধবার সকালে খোকনসহ চারজনকে আসামি করে শিবালয় থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। এই মামলায় খোকনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলাটি তদন্ত করছে পাটুরিয়া নৌ থানার পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ফেরির যাত্রীদের পিটুনিতে আটক ছিনতাইকারী খোকন অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাঁকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।