
ভোলার চারটি আসনেই বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। ভোলা-১ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান (পার্থ) দ্বিতীয়বারের মতো এবং ভোলা-৩ আসনে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) সপ্তমবারের মতো সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন।
আজ শুক্রবার ভোর চারটার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম রহমান বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। পাশাপাশি গণভোটের ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা বেশি।
ভোলা-১ (সদর) আসনে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান গরুর গাড়ি প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৩৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের ওবায়দুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ২৫ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৩টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪৪ হাজার ৭৩১টি।
ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে বিএনপির প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ফজলুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৩ হাজার ৭০৩ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮৩ হাজার ৭০৪টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ২৯ হাজার ১৬৬টি।
ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে বিএনপির মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট পার্টির নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীক নিয়ে ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ লাখ ৯৪০টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৫৬ হাজার ৬০৭টি।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১টি ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোস্তফা কামাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট পেয়েছেন। এখানে গণভোটে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭০২টি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে এবং ৭১ হাজার ১৬১টি ‘না’ ভোট পড়েছে।