সড়কের ওপর আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন পরিবহন শ্রমিকেরা। আজ বিকেলে নগরের কদমতলী এলাকায়
সড়কের ওপর আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন পরিবহন শ্রমিকেরা। আজ বিকেলে নগরের কদমতলী এলাকায়

চট্টগ্রামে পরিবহনশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, পরে সড়ক অবরোধ

চট্টগ্রামে পরিবহনশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় থানার ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য ও বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর নগরের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেছেন শ্রমিকেরা।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নগরের হালিশহর ঈদগাহ এলাকার দুলহান কমিউনিটি সেন্টারে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম আন্তজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের ভোট গ্রহণের সময় এ ঘটনা ঘটেছে। এরপর নগরের কদমতলী ও অলংকার এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। এই দুটি স্থান থেকে চট্টগ্রাম–ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটের বাস ছেড়ে যায়। অবরোধের কারণে সেখানে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে।

সড়কে বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ বিকেলে নগরের কদমতলী এলাকায়

পুলিশ জানায়, সকাল থেকে ভোট গ্রহণ চলছিল। তবে ভোটকেন্দ্রে অব্যবস্থাপনার কারণে ভোট দিতে দেরি হওয়া ও জাল ভোট নিয়ে অভিযোগ তোলেন কয়েকজন শ্রমিক। বিষয়টি নিয়ে শ্রমিকদের আরেকটি পক্ষের সঙ্গে তাঁদের কথা–কাটাকাটি শুরু হয়। এ সময় দুই পক্ষকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় তিনি ছাড়া আরও তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁরা বর্তমানে দামপাড়া পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর ভাষ্য, ভোটকেন্দ্রের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ থেকে এ ঘটনার সূত্রপাত।

সড়কে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা। আজ বিকেলে নগরের কদমতলী এলাকায়

চট্টগ্রাম আন্তজেলা বাস মালিক সমিতির সচিব মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের পর্যবেক্ষক দলেরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। ইটপাটকেল ছোড়ার পর পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। তখন পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।’