পুলিশের পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে পুলিশের তিন সদস্য ও দুই আসামিসহ মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে
পুলিশের পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে পুলিশের তিন সদস্য ও দুই আসামিসহ মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের পিকআপ ভ্যান খাদে, পুলিশ-আসামিসহ আহত ৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেছে। এতে পুলিশের তিন সদস্য, দুই আসামিসহ মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলার মনিপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন পুলিশের কনস্টেবল মো. জুম্মান (৩০), মো. মোস্তফা (৩০) ও পিকআপ ভ্যানের চালক নায়েক তোফায়েল আহমেদ (৪২)। আহত দুই আসামি হলেন জেলার বিজয়নগর উপজেলার মোহন মিয়া (৪৫) এবং একই উপজেলার রুজিনা বেগম (৩২)। তাঁদের মধ্যে মোহন মাদক মামলায় রিমান্ডের আসামি এবং রুজিনা পারিবারিক মামলার আসামি।

পুলিশ কনস্টেবল মোস্তফাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ।

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার বিকেলে বিজয়নগর থানা থেকে দুই আসামিকে নিয়ে পুলিশের তিন কনস্টেবল ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্দেশে রওনা দেন। সদর, বিজয়নগর উপজেলা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরকে সংযোগ করা সিমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক দিয়ে পুলিশের গাড়িটি জেলা শহরের দিকে যাচ্ছিল। বিজয়নগর উপজেলার মনিপুর এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিশের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে পুলিশের তিন সদস্য ও দুই আসামি আহত হন।

স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে সবাইকে উদ্ধার করে‌। খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা–পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহিনুর আলম প্রথম আলোকে জানান, পুলিশের তিন সদস্য ও দুইজন আসামি হাসপাতালের সার্জারি ও মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন‌। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আরাফাতুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশের অন্য সদস্যরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য জুম্মান ও মোস্তফাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আহত সবার চিকিৎসা করা হচ্ছে।