জজ মিয়াকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গতকাল রাতে তোলা
জজ মিয়াকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গতকাল রাতে তোলা

জুয়াড়িদের ধরতে পুলিশের অভিযান, ধাওয়ার মুখে সুরমায় ঝাঁপ দিলে একজনের মৃত্যু

সিলেটে পুলিশের ধাওয়ার মুখে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দিলে জজ মিয়া (৫৮) নামের এক ব্যক্তি মারা যান। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে নগরের কানিশাইল এলাকার খেয়াঘাটে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জজ মিয়ার বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার কাস্তাল গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মুলু মিয়া। তবে তিনি সিলেট নগরের কানিশাইল এলাকায় বসবাস করতেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কানিশাইল এলাকার ঈদগাহ-সংলগ্ন স্থানে জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। এ সময় ধাওয়ার মুখে কয়েকজন দৌড়ে পালিয়ে যান। তাঁদের মধ্যে জজ মিয়াও ছিলেন। তিনি সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

জজ মিয়ার হৃদ্‌রোগের সমস্যা ছিল বলে জানান তাঁর ছেলে বাদশা মিয়া। তিনি বলেন, এর আগেও তাঁর বাবা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ঘটনাস্থলে না থাকায় সেখানে কী ঘটেছিল, তা আপাতত জানেন না তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দা শাহেদ আহমদ বলেন, তিনি ওই ঘটনার সময় কানিশাইল বাজারে মাছ আনতে গিয়েছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি পানিতে পড়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে সেখানে গিয়ে জজ মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

জজ মিয়ার হৃদ্‌রোগের সমস্যা ছিল বলে জানান তাঁর ছেলে বাদশা মিয়া। তিনি বলেন, এর আগেও তাঁর বাবা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ঘটনাস্থলে না থাকায় সেখানে কী ঘটেছিল, তা আপাতত জানেন না তিনি।

জজ মিয়ার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে বলে জানান সিলেট মহানগর পুলিশের নগর বিশেষ শাখার (সিটি এসবি) উপকমিশনার মো. আফজাল হোসেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।