
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘দলীয় প্রতীক না থাকায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। ভবিষ্যতে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে। সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি যেন নির্বাচিত হয়ে আসেন, এখন থেকে সজাগ থাকতে হবে। এবারের নির্বাচন মনে রাখার মতো নির্বাচন হবে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন চ্যালেঞ্জের নির্বাচন ছিল। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনও আরেকটা কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে।’
আজ শুক্রবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজী ফতেহ মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন। শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যানি বলেন, ‘যেকোনো সময় নির্বাচন চলে আসবে, নির্বাচন হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বার খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে হালকা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমার আপনার ভাগ্য জড়িত। ওই লোকগুলো ভালো হলে আমাদের সবার অবস্থাও ভালো হবে। তাই আমরা এখন থেকে সজাগ ও সতর্ক থাকব।’
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি না থাকার কারণে আমরা পদে পদে বিপাকে পড়ছি। ১৭ থেকে ১৮ বছর এ প্রক্রিয়ার কারণেই তৃণমূল পর্যায়ে গ্রামীণ এলাকা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন। আমরা নির্বাচিত হয়েছি দুই মাস হয়েছে। দেশে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি খুব একটা নেই। এলাকার চেয়ারম্যান নেই, মেম্বার নেই। অনেকে পলাতক আছেন, অনেকের কাজ করার মতো সুযোগ নেই, কাজও হচ্ছে না। যাঁরা আছেন, তাঁদের আমরা সবাই সহযোগিতা করব।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা, পানিসম্পদমন্ত্রীর একান্ত সচিব জামশেদ আলম, দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার প্রমুখ।