রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা রিকশাচালক রিপন (৩৬) হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার এ আদেশ দেন।
মামলাটির তদন্ত করেছেন পুলিশের লালবাগ জোনের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দিন। আজ আসামির উপস্থিতিতে তিনি আদালতে এ আবেদন করেন।
জাহাঙ্গীর আলমের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন প্রথম আলোকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আজ দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে জাহাঙ্গীর আলমকে হুইলচেয়ারে এনে আদালতে তোলা হয়। এরপর আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করলে বেলা একটার দিকে তাঁকে হাজতে ফেরত নেওয়া হয়।
আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, সাবেক সচিব জাহাঙ্গীর আলম খুব অসুস্থ। এ অবস্থায় শুধু হেনস্তা করার জন্য তাঁকে হুইলচেয়ারে আদালতে আনা হয়েছে। মামলাটি ২০২৪ সালের। ১৯ মাস পরও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি। সচিব থাকার সময় দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের সুযোগ ছিল না। এরপরও ৫ আগস্ট–পরবর্তী সাত থেকে আটটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রিপন হত্যা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে রাজধানীর কোতোয়ালি থানার সদরঘাট ডিআইটি বাজার মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের নেতা–কর্মীরা সশস্ত্র হামলা চালায়। এ সময় রিপনের গলায় গুলি লাগে।
পরবর্তী সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ আগস্ট রাতে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রিপনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রিপনের স্ত্রী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। সাবেক সচিব জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে।