গণহত্যা দিবস এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালিত হবে আর ২৬ মার্চ দেশব্যাপী মহান স্বাধীনতা এবং জাতীয় দিবস উদ্যাপিত হবে।
আজ মঙ্গলবার র্যাব সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ মার্চ জাতীয় স্মৃতিসৌধ, জাতীয় প্যারেড স্কয়ারসহ সারা দেশে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, কূটনৈতিক মিশনের সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।
সার্বিক ঝুঁকি পর্যালোচনা করে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে র্যাব নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজিয়েছে। ২৫ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ঢাকাসহ সারা দেশে পর্যাপ্ত র্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবেন।
আগাম পদক্ষেপ হিসেবে সাদাপোশাকে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগরীসহ অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকা, বিভাগীয় শহর ও জেলায় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও মেলা ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন বা অন্য কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যেন কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়েও র্যাব তৎপর রয়েছে।
এ ছাড়া ভার্চ্যুয়াল জগতে যেকোনো ধরনের গুজব, উসকানিমূলক বা মিথ্যা তথ্য ছড়ানো রোধে র্যাবের সাইবার দল অনলাইনে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। সারা দেশে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি), বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তা ও জনসমাগম হওয়ার সম্ভাব্য স্থানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
শহরের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী তল্লাশিচৌকি (চেকপোস্ট) বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে র্যাব।