
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিমএপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, তাঁর পরিবারের সদস্যসহ আত্মীয়দের নামে থাকা রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও ফরিদপুরের ১৪ দশমিক ৩০ একর জমিসহ প্লট–ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
আছাদুজ্জামান ছাড়া অন্য যাঁদের সম্পদ জব্দের আদেশ হয়েছে, তাঁরা হলেন—তাঁর স্ত্রী আফরোজা জামান, দুই ছেলে আসিফ শাহাদাৎ ও আসিফ মাহদিন, মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা, শ্যালিকা পারভীন সুলতানা ও ফাতেমাতুজ্জোহরা, শ্যালক হারিচুর রহমান।
দুদকের পক্ষে আবেদনটি করেন সংস্থার সহকারী পরিচালক আলিয়াজ হোসেন। আবেদনে বলা হয়, আছাদুজ্জামান, তাঁর পরিবারের সদস্যসহ আত্মীয়দের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগ আছে। তাঁদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। তাঁদের সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টার বিষয়টি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। তাই অভিযোগ অনুসন্ধানের স্বার্থে তাঁদের উল্লিখিত সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন।
আছাদুজ্জামান ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিএমপির কমিশনার ছিলেন। পরে তাঁকে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা করা হয়। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁর এই পদে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর মহাখালী থেকে আছাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।