
প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকসহ আটজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নুরুল হুদা, সদস্য আ ই ম গোলাম কিবরিয়া, সদস্য মো. আবু বক্কার সিকদার, সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলাম সিকদার, সদস্য আখতার হোসেন ভুঁইয়া, যুগ্ম সচিব এম মাহবুবুল আলম ও সদস্য নাজমুল হাই।
দুদকের পক্ষে আবেদনটি করেন সংস্থার সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। আবেদনে বলা হয়, প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলার এই আসামিরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।
মিথ্যা তথ্য দিয়ে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের আগস্টে খায়রুল হকসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। খায়রুল হক বর্তমানে কারাগারে আছেন।
আমুর ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
আবেদনটি করেন সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জুলফিকার আলী।
আবেদনে বলা হয়, আমু মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধ করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানকালে তাঁর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে ৮টি হিসাবের তথ্য পাওয়া যায়। এসব ব্যাংক হিসাবে ৭ কোটি ৫১ লাখ ৯১ হাজার টাকা বর্তমানে স্থিতি রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু অনুসন্ধানের জন্য এসব ব্যাংক হিসাব অবরূদ্ধ করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের নভেম্বরে আমুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর থেকে তিনি কারাগারে।