টিকে থাকতে এখন পাকিস্তানের ভরসা আইএমএফের ঋণ। ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেওয়া এবং সমরপ্রীতির জন্যই দেশটির এই হাল। তবে এটা নিয়ে বাংলাদেশের উল্লসিত হওয়ার কিছু নেই, বরং সতর্ক থাকতে হবে।

শুধু প্রতিষ্ঠানের ভিন্নতায় উত্তর কোরিয়ার সিংহভাগ মানুষ দারিদ্র্যে জর্জরিত। দেশটি এক উগ্র সামরিক শক্তির আস্তানা। আর তাদেরই সহোদর দক্ষিণ কোরিয়া এক আধুনিক উন্নত রাষ্ট্র। জাতিসত্তা একই রকম, সংস্কৃতিও সে রকম। পার্থক্য দুই দেশের নেতৃত্বে। দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠান গড়েছে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের আদলে। এর ফলে ওদের মাথাপিছু আয় এই সময়ে বেড়েছে ২০ গুণ, যা বিশ্বে বিরল। আর উত্তর কোরিয়া নজর দিয়েছে যুদ্ধ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির দিকে।
উত্তর কোরিয়া দেশবাসীকে যুদ্ধভীতির আফিম খাইয়েছে ঠিক পাকিস্তানি স্টাইলে। দিনে দিনে বাড়িয়েছে সামরিক ব্যয়। পারমাণবিক বোমা তাদের বানাতেই হবে। তার ফল পরিষ্কার। আজ বিশ্বব্যাংকের তথ্যভান্ডারে ওদের মাথাপিছু আয়ের কোনো সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যায় না। লোকে বলে দেড় হাজার ডলার হবে হয়তো। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার মাথাপিছু আয় তার চেয়ে প্রায় ২০ গুণ বেশি।
পাকিস্তানের বর্তমান দুরবস্থা উত্তর কোরিয়ার পরিণতির কথা মনে করিয়ে দেয়। ১৯৪৭ সালে ধর্মীয় সূত্র ধরে ভারত থেকে আলাদা হয়ে গেল পাকিস্তান। শুরু হলো পূর্ব পাকিস্তানের ওপর শোষণ আর বঞ্চনার জাঁতাকল। এরপর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭১ সালে। পশ্চিম পাকিস্তানের বিশাল সামরিক শক্তি পূর্ব পাকিস্তানের পতন ঠেকিয়ে রাখতে পারল না। সে থেকেও পাকিস্তান শিক্ষা নেয়নি। বরং ভারতের ভয় দেখিয়ে ওই দেশের সামরিক প্রতিষ্ঠান পারমাণবিক বোমা বানানো থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা খাতে সব ধরনের অনুৎপাদনশীল ব্যয় বাড়িয়ে গেছে। আজকের অধঃপতিত পাকিস্তান এই উগ্রতার খেসারত দিচ্ছে। এ হচ্ছে দীর্ঘ সময়ের অপনীতি ও সন্ত্রাসবাদ লালনের মাশুল।
পাকিস্তানে সর্বগ্রাসী দৈত্যের মতো শুধু সামরিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে এবং ওগুলো আর কোনো প্রতিষ্ঠানকে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে দেয়নি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিচার বিভাগকে ক্রমাগত কোণঠাসা করা হয়েছে। মৌলবাদী গোষ্ঠীকে হাতে রাখতে গিয়ে নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে শ্বাসরুদ্ধ। শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মান্ধতাকে চাপিয়ে দিয়ে তাকে করা হয়েছে অদক্ষ ও উৎপাদনবিমুখ। সব দেশ নিজের গুণে সম্পদ গড়ে। বিশ্বের একমাত্র দেশ পাকিস্তান সম্পদের ভাগ্য গড়েছে প্রতিবেশীকে ব্যবহার করে।
সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৭৯ সালে আফগানিস্তান আক্রমণ করার পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে মোটাদাগে কমিশন পেয়েছে পাকিস্তান। তার কাজ ছিল তালেবান ও সন্ত্রাসীদের লালন–পালন করে রুশ স্থাপনায় আক্রমণ করা। তাই পুরো আশির দশক সাহায্যপুষ্ট পাকিস্তানের অর্থনীতি ছিল রমরমা। অনেকটা ধনী শ্বশুর পাওয়ার মতো ভাগ্য। ওই দশকে পাকিস্তানের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ শতাংশের কাছাকাছি, যা ৫ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী ভারতের কাছে ছিল ঈর্ষণীয়। বাংলাদেশের কাছে ছিল তা স্বপ্নের মতো। কারণ, সামরিক শাসনের জাঁতাকলে ও পল্লিবন্ধু এরশাদের ‘স্বর্ণযুগে’ বাংলাদেশ সে দশকে মাত্র সাড়ে ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল।
সামরিক প্রতিষ্ঠান দেখাতে পারল যে কোনো যুদ্ধ আশপাশে লেগে থাকলে বা লাগিয়ে রাখলে তা পাকিস্তানের জন্য স্বাস্থ্যকর। আশির দশকের শেষে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান ছেড়ে দিল। পুরো নব্বইয়ের দশকে বড় কোনো যুদ্ধ আশপাশে না থাকায় পাকিস্তান ভারতকে টেক্কা দেওয়ার জন্য পারমাণবিক বোমায় মনোযোগ দিল। কাশ্মীর নিয়ে বিক্ষিপ্ত যুদ্ধেও খুব একটা উপকার হলো না। ওই দশকটি পাকিস্তানের জন্য কুফা হয়ে গেল। দশকের গড় প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ থেকে ৪ শতাংশে নেমে এল। ওই সময়ে বাংলাদেশ মুক্তায়ন ও আংশিক বাজার অর্থনীতির জোরে প্রায় ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ছুঁয়েছে। দুই দেশের ভাগ্যের চাকা দুই দিকে ঘুরে গেল।
ভাগ্যচক্রে পাকিস্তানের আবার সুদিন আনল ২০০১ সালে নাইন–ইলেভেন। আফগানিস্তানে ছিল যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণকারী আল–কায়েদার আস্তানা ও তালেবানের চারণভূমি। তা ভাঙতে যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বিত বাহিনী পাকিস্তানকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করল। পাকিস্তানি সেনাশাসক সুযোগটি লুফে নিলেন। ২০০০ দশকের পাকিস্তান পশ্চিমা উন্নত বিশ্বের কাছ থেকে ভালোই সুবিধা পেল। তবে এ–যাত্রা গড় প্রবৃদ্ধি এল টেনেমেনে সাড়ে ৪ শতাংশ। কারণ, তত দিনে ব্যাপক সামরিকীকরণের অনুৎপাদনশীলতা ক্যানসারের মতো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। একই দশকে বাংলাদেশ সাড়ে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ছাড়িয়ে গেল।
এদিকে চীন ভারতকে ঠেঙানোর চিরস্থায়ী লক্ষ্যে ঋণ ও অবকাঠামো বানিয়ে দিয়ে পাকিস্তানের ভঙ্গুর অর্থনীতিতেও যথাসম্ভব জেল্লা ফেরানোর চেষ্টায় নিয়োজিত ছিল পুরো ২০১০–এর দশকে। তবে এত ঋণ দিয়ে কিংবা অবকাঠামো গড়িয়ে নিয়েও ২০১০–এর দশকে পাকিস্তানের গড় প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশে নেমে এল। ওদিকে বাংলাদেশ একই সময়ে সাড়ে ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।
তত দিনে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের এক মডেল। আর পাকিস্তান অধোগতির নজির—একটা ‘ফেইল্ড স্টেট’ কিংবা তলাফাটা কলস। অ্যাটম বোমা, এফ-সিক্সটিন আর সামরিক দাপটের আমাশয়ে গায়ে কোনো মাংস লাগছে না। লাগার আর সম্ভাবনাও নেই। রাষ্ট্র ও দৃঢ় নেতৃত্ব অনেক প্রতিষ্ঠান বদলায়—এটাই নিয়ম। কিন্তু এ নিয়মের একমাত্র ব্যতিক্রম পাকিস্তান। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্র চালায়, নেতৃত্বের রাশিফল ঠিক করে দেয়।
বিশ্বব্যাংকের হিসাবে স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে মুজিব সরকার যে সামরিক ব্যয় করেছিল, তা ছিল দেশের মোট দেশজ আয় তথা জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ৬৬ শতাংশ। ওই বছর ভারত খরচ করে জিডিপির ৩ শতাংশ, আর পাকিস্তান যা খরচ করেছিল, তা ছিল জিডিপির সোয়া ৬ শতাংশ।
১৯৭৩ থেকে ২০২১ সালের এই ৪৯ বছরের ইতিহাসে বাংলাদেশে সামরিক ব্যয় জিডিপির ১ দশমিক ২৩ শতাংশ, ভারতে তা ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ, আর পাকিস্তানে ৫ শতাংশের ওপরে। সেখানকার অনেক সংস্থার দাবি, যে হিসাব পাকিস্তান সরকার দেখায়, তার চেয়ে আসল খরচ অনেক বেশি। অনামে, বেনামে বা ভিন্ন নামে সামরিক ব্যয় বাড়িয়ে প্রতিটি সরকার তাদের ভাগ্যনিয়ন্তাকে তুষ্ট করে রাখে, যাতে গলা ধাক্কা খেয়ে মসনদ থেকে নেমে যেতে না হয়।
১৯৯৩ সাল থেকে গত ৩০ বছরে বাংলাদেশে মোট সরকারি ব্যয়ের প্রায় ১১ শতাংশ দেওয়া হয়েছে সামরিক খাতে। ভারতে তা প্রায় ১০ শতাংশ, আর যুদ্ধপ্রেমী পাকিস্তানে তা প্রায় ২১ শতাংশ। অর্থনীতিবিদেরা এ খরচের সিংহভাগকে অনুৎপাদনশীল খাতের খরচ বলে ধরে থাকেন। ওদের এই ২১ শতাংশও নাকি চাপিয়ে চুপিয়ে কম দেখানো। আসলে তা ৩০ শতাংশের ওপরে বলে দাবি। একটা রাষ্ট্রের মোট বাজেটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যদি এই যুদ্ধবাহিনী পুষতেই চলে যায় তাহলে সে দেশের উন্নয়ন খাতে আর থাকে কী। তাই দুহাত তুলে আইএমএফকে ডাকাডাকি।
পাকিস্তানের আজকের দুরবস্থা শুধু আকস্মিক ডলার–সংকট নয়। এ সংকট দিনে দিনে গড়া। এ ব্যাধি দূষিত রক্তের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চামড়ায় ভেসে ওঠা কয়েকটা বিষফোড়া। আইএমএফ অপারেশন করিয়ে আপাতত সারিয়ে দেবে। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে পাকিস্তানের রোগ সারবে না। এই রোগে পৃথিবীতে তিনটি দেশ আক্রান্ত। এরা হলো উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান ও মিয়ানমার।
২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার গড় রিজার্ভ ছিল ৩৭ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানে তা ছিল তার অর্ধেক—অর্থাৎ ১৮ বিলিয়ন ডলার। আর ভারতের ৫০০ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে আজকে যে ডলার–সংকট শুরু হয়েছে, তার কারণ ছয় বছর আগে থেকেই সূচনা পেয়েছে। কোভিড বা পুতিনের যুদ্ধকে দায়ী করা সমীচীন নয়। এই দুই দেশেই নিজস্ব মুদ্রার মান কৃত্রিমভাবে চাঙা করে রাখা হয়েছিল, যা রাজনৈতিকভাবে বেশ উপাদেয়।
ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানের রুপি বাংলাদেশের টাকার তুলনায় বেশি শক্তিশালী ছিল। এখন পাকিস্তানের রুপি প্রায় কাগজতুল্য। বাংলাদেশের টাকার মান পতন হলেও সেটি রুপির মতো এতটা অধঃপাতে যায়নি। কারণ, বাংলাদেশের রিজার্ভ পরিস্থিতি পাকিস্তানের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থায় ছিল। ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারকারীরা জামাই আদর না পেলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরও ভালো থাকত।
এ সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ দিয়ে বাংলাদেশ গড়ে প্রায় সাত মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে পারত। ভারত পারত নয় মাসের। আর পাকিস্তান পারত মাত্র তিন মাসের আমদানি খরচ মেটাতে। পাকিস্তান ভাগ্যবান যে দেশটি আরও আগে ডলার–সংকটে পড়েনি। কখনো ওদের পাশে, কখনো যুক্তরাষ্ট্র, কখনো চীন, কখনো মধ্যপ্রাচ্য দাঁড়িয়েছে। এ–যাত্রা কেউ খুব একটা কদর করছে না বলেই চাপানো রোগ ভেসে উঠেছে।
একটা দেশের মুদ্রার মজুতের পরিমাণ তার স্বস্তির নির্ধারক। এ জন্য একটা দেশের মজুত বিদেশি ঋণের শতকরা কতভাগ মেটাতে পারবে, সে হিসাব রাখা জরুরি। ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের গড় হিসাবে বাংলাদেশের মুদ্রার মজুত বৈদেশিক ঋণের ৫৭ শতাংশ মেটাতে পারত। ভারত তা মেটাতে পারত ওর বিদেশ ঋণের ৯০ শতাংশ, আর পাকিস্তান তার দুর্বল মজুত দিয়ে মেটাতে পারে ঋণের মাত্র ১৬ শতাংশ। এই কাহিল অবস্থা হঠাৎ হয়নি। এটি পাকিস্তানের আজন্মলালিত যুদ্ধংদেহী মনোভাবের অনিবার্য পরিণতি। এই উপমহাদেশে সবচেয়ে বেশি পশ্চিমা দান–খয়রাত ও সুবিধাভোগী পাকিস্তান সবচেয়ে বড় ‘মাসেলম্যান’ হতে গিয়ে সবচেয়ে দুর্বল হয়ে গেল কেন, এটাই বড় শিক্ষা।
১৯৮০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়পর্বে প্রবৃদ্ধির তথ্য নিয়ে ‘রিগ্রেসন’ করলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জন্য দুটি প্রবণতা রেখা বা ‘ট্রেন্ড লাইন’ পাওয়া যায়, যা চমৎকার ভাবে দুই দেশের ভাগ্যের অদলবদল দেখিয়ে দেয়। পাকিস্তানের রেখা উঁচু থেকে নিচে নামছে। বাংলাদেশের রেখা নিচু থেকে উঁচুতে উঠছে।
ওই রেখার শুরুতে ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র সোয়া ৩ শতাংশ, আর পাকিস্তানে তখন তা ছিল এর দ্বিগুণ অর্থাৎ সাড়ে ৬ শতাংশ। এরপর থেকে পাকিস্তান নেমেছে, বাংলাদেশ উঠেছে। ১৯৯৭ সালে এরা এক স্থানে এসে ‘ক্রস’ করেছে। তারপর থেকে পাকিস্তান আরও নেমেছে, বাংলাদেশ উঠেছে। ২০২১ সালে বাংলাদেশ উঠে গেছে ৭ শতাংশের ঘরে। পাকিস্তান অধঃপতিত হয়েছে মাত্র সোয়া ৩ শতাংশের গর্তে।
পাকিস্তানের দুরবস্থায় আমাদের খুব উল্লসিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বরং সতর্ক হতে হবে যেন কোনো প্রতিষ্ঠান সর্বগ্রাসী হয়ে না পড়ে। মেক্সিকোকে খেয়ে দিয়েছে ওদের ড্রাগ কার্টেল, ইতালিকে মাফিয়া, আর পাকিস্তানকে মিলিটারি। আগ্রাসী খেলাপি ও টাকা পাচারকারী গোষ্ঠীর বল বৃদ্ধির সঙ্গে কোথায় যেন এই কার্টেল ও মাফিয়াদের একটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
এরা সব প্রতিষ্ঠান যেভাবে দখল করছে ও যে কায়দায় নীতিনির্ধারক কিনে নিচ্ছে, তাতে বাংলাদেশের যথেষ্ট ভীত ও সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। পাকিস্তান থেকে কিছু না শিখতে চাইলেও পাকিস্তানের পরিণতি থেকে আমরা যেন শিক্ষা নিই এবং সময় থাকতে সতর্ক হই।
ড. বিরূপাক্ষ পাল যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক অ্যাট কোর্টল্যান্ডে অর্থনীতির অধ্যাপক