সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ ৩০ মে। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে তিনি নিহত হন।
প্রতিবছরের মতো এবারও দিনটি উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো রাজধানীসহ সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। দলটির নেতা-কর্মীদের কাছে দিনটি শোক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার দিন হিসেবেও বিবেচিত।
জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি ছিলেন অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল চারবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে।
দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বেলা ১১টায় ঢাকার জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠের সামনে দুস্থ মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ করবেন তিনি। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর ১৬টি স্থানে ধারাবাহিকভাবে এসব বিতরণ কর্মসূচি হবে। দিবসটি ঘিরে আলোচনা, দোয়া মাহফিল, শ্রদ্ধা নিবেদন ও সামগ্রী বিতরণের মতো কর্মসূচিও থাকবে।
এর আগে সকাল ১০টায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং সকাল সাড়ে ১০টায় অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতেও শ্রদ্ধা জানাবেন। বেলা ১১টা ২০ মিনিটে হাইকোর্ট মাজারের সামনে আইনজীবীদের আয়োজনে দুস্থদের মধ্যে সামগ্রী বিতরণ করবেন রিজভী। একই সময়ে কারওয়ান বাজারে এফডিসির সামনে পৃথক কর্মসূচিতে থাকার কথা রয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানের।
দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশপ্রেম, সততা ও কর্মনিষ্ঠা জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রেরণার উৎস।