নির্বাচনী গণসংযোগে ঢাকা–১২ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনী গণসংযোগে ঢাকা–১২ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত ঢাকা–১২ গড়ার অঙ্গীকার সাইফুল হকের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে ঢাকা–১২ আসনকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার করেছেন ঢাকা–১২ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, এ আসনের মানুষের নিরাপত্তা, ভোটাধিকার ও স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।

আজ বুধবার রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন নাবিস্কো আলকাতরা মোড়ে জনসংযোগ কার্যক্রম শুরুর সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন সাইফুল হক।

চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা তুলে ধরে সাইফুল হক বলেন, ‘এই এলাকায় ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজদের নিপীড়নের শিকার। আমি নির্বাচিত হলে যারা জনগণের ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।’

এ সময় ঢাকা–১২ আসনের সর্বস্তরের ভোটারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে কোদাল প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, ঢাকা–১২ আসনে কোদাল মার্কার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এই গণজোয়ারকে আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকতে হবে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৭ বছর ধরে লুটপাট, দমন–পীড়ন ও ভয়ভীতির রাজনীতির মাধ্যমে দেশকে কার্যত জিম্মি করে রাখা হয়েছিল। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করা হয়েছে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার হিসেবে। দীর্ঘদিন মানুষ ভোট দিতে পারেনি। অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আবার ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হয়েছে। এবার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালনায় গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

নির্বাচন ঘিরে কিছু গোষ্ঠীর অপচেষ্টা প্রসঙ্গে ঢাকা–১২ আসনের এই প্রার্থী বলেন, ‘কিছু সুবিধাভোগী গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে মাঠে নেমেছে। তবে তাদের সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে। জনগণই শেষ পর্যন্ত তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।’

সাইফুল হক বলেন, এই নির্বাচন শুধু ঢাকা–১২ আসনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না, বরং এলাকার গরিব–শ্রমজীবী মানুষের সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের এক হয়ে ওঠার দিন। সবাই একসঙ্গে কোদাল মার্কায় ভোট দিয়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিন।’