সরকারি কলেজের শিক্ষক ও বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থায় কর্মরত বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নে জারি করা নীতিমালা সংশোধন করা হয়েছে।
সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, কলেজের কোনো প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক নিজ অঞ্চল (মাউশি নির্ধারিত অঞ্চল) থেকে অন্য অঞ্চলে বদলি হতে চাইলে মাউশির সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের পরিচালকের কাছে আবেদন করতে পারবেন। তবে পরিচালক তাঁদের বদলি করতে পারবেন না। আবেদন যাচাই-বাছাই করে সুপারিশসহ মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন তিনি।
অর্থাৎ প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকেরা এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে যেতে চাইলে বদলির ক্ষমতা কার্যত মন্ত্রণালয়ের হাতেই থাকল। তবে দপ্তর ও সংস্থার পদ ছাড়া সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে কলেজে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে বদলি বা পদায়নের কাজটি মাউশির সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের পরিচালকের সভাপতিত্বে চার সদস্যের কমিটি করবে। পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে ইনসিটু (পদোন্নতি হলেও আগের পদেই রাখা) থেকে নিয়মিত পদে বদলি-পদায়নের আদেশ জারি করাও এ কমিটির কাজ।
আজ মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি কলেজের শিক্ষক ও বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থায় বিভিন্ন পদে কর্মরত বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের কাজ এত দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে ছিল। গত জুলাই মাসে নতুন নীতিমালা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে বদলি ও পদায়নের কাজ বিকেন্দ্রীকরণ করে তিনটি কমিটির মাধ্যমে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নীতিমালা সংশোধনের পর এখন এ নীতিমালার আলোকে বদলির কাজ শুরু হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি কলেজের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের বদলির কাজ (অঞ্চলের ক্ষেত্রে) হবে মাউশির আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালকের নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে।
সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপকদের বদলির কাজ করবে মাউশির মহাপরিচালকের নেতৃত্বাধীন কমিটি। ঢাকা মহানগর, দপ্তর ও সংস্থার পদ ছাড়া সহযোগী অধ্যাপকদের বদলি বা পদায়নের আবেদন যাচাই করে বদলির আদেশ জারি করবে এ কমিটি।
এ ছাড়া সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যাপক, অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার সব পদ এবং কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের বদলি ও পদায়ন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটি।