
তিন দফা দাবিতে আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাঁরা এ হামলার নিন্দা জানান। তাঁরা বলেন, ৫ আগস্টের পর রাষ্ট্র কাঠামোতে প্রত্যাশিত পরিবর্তন হলে এমন পরিস্থিতি হতো না।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাত্তরের গণহত্যা ভাস্কর্য চত্বরে এ মানববন্ধন হয়।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, জগন্নাথের শিক্ষার্থীদের ওপরও একই কায়দায় লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়া হয়েছিল। অথচ সরকারের উচিত ছিল শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত সমস্যাগুলো নিয়ে প্রথমে বসা। ছাত্রদের রক্তের ওপরই এই সরকার দাঁড়িয়ে অথচ শিক্ষা খাত সংস্কারে কোনো কমিশন কিন্তু গঠন করা হয়নি।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, ‘আজ জুলাই আন্দোলনের এক বছর অতিক্রম করার পরও আমাদের সেই পুলিশি স্টেট (রাষ্ট্র) নিয়ে কথা বলতে হয়। ছাত্র–জনতা রক্ত দিয়ে জুলাই-আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। তারা ছাত্রদের রক্তের ওপর বসে আছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা গত ১৭ বছর পুলিশের যে চরিত্র তৈরি করেছিলেন, তা এখনো আগের মতো আছে।’
আরেক শিক্ষার্থী এ কে এম রাকিব বলেন, ‘ইউনূস সরকার যে কাজ করতে পারছে না, এটা সবাই বুঝতে পারছে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যদি রাষ্ট্রকে তার সঠিক জায়গায় নিতে হয়, এখনো কিছুটা সময় আছে। যদি আপনারা ঠিক হয়ে দাঁড়ান, আপনারা যদি পাঁচ আগস্টের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চান, তাহলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করেন। তা না হলে এ ধরনের গণ–অভ্যুত্থান শিগগিরই আবার ঘটবে।’