
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) সায়মা হক বিদিশা। আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুন্সী শামস উদ্দিন আহমেদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষরা, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা–কর্মচারীরা।
সভার শুরুতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরিচালিত অপারেশন সার্চলাইটে শহীদ হওয়া সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, ‘স্বাধীনতা মানে অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক মুক্তি ও কথা বলার মুক্তি। স্বাধীনতা মানেই গণতন্ত্র। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পার করে আমরা এবার ৫৪তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উদ্যাপন করছি। তবে স্বাধীনতার সেই প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি কতটুকু পূরণ হয়েছে, সেটা দেখার বিষয়।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) সায়মা হক বিদিশা বলেন, ‘অপারেশন সার্চলাইটের নির্মম হত্যাযজ্ঞ আমাদের শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করেছিল। তারই পটভূমিতে আমরা দেখি, ২৬ মার্চ আমাদের একটি নতুন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখতে, নতুন প্রতিজ্ঞায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে এবং সার্বভৌমত্বের চেতনায় একতাবদ্ধ হতে সহায়তা করেছিল। এর ফলে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা একটি মানচিত্র পেয়েছি, একটি পতাকা পেয়েছি।’
ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেন, ‘পাকিস্তান আমাদের সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিল। এগুলো থেকে মুক্ত হওয়ার জন্যই মূলত একাত্তর সংঘটিত হয়েছে, যুদ্ধ হয়েছে, আমরা স্বাধীন হয়েছি।’