রাজধানীর ভাটারা থানার কুড়িল মৃধাবাড়ি এলাকায় আরিফা (৫) নামের এক শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ পানির ট্যাংকে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার সন্ধ্যায় ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রাতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শিশুটির বড় ভাই মো. হাসানের স্ত্রী খাদিজা আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মওদুদ কামাল প্রথম আলোকে বলেন, শিশু আরিফা প্রায়ই তার ভাই হাসানের কাছে দোকান থেকে খাবার কিনে দেওয়ার আবদার করত এবং হাসান তা কিনেও দিতেন। এ নিয়ে আরিফার ভাবি খাদিজা আক্তারের ক্ষোভ ছিল।
এসআই মওদুদ কামাল বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খাদিজা বলেছেন, তাঁর স্বামী তাঁকে কিছু কিনে দিতেন না, শুধু বোনকে কিনে দিতেন। এই ক্ষোভ থেকেই তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ পানির ট্যাংকে ফেলে দেন।
শিশুটির পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়, আরিফার বাবা মো. রাজিব একজন দিনমজুর। তাঁরা কুড়িল মৃধাবাড়ি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। একই বাড়িতে পাশাপাশি কক্ষে আরিফার ভাই হাসান ও তাঁর স্ত্রী খাদিজা থাকতেন। সকাল থেকে আরিফা নিখোঁজ ছিল। দিনভর খোঁজাখুঁজির পর বিকেলে বাসার পানির ট্যাংকে তার মরদেহ দেখতে পান স্বজনেরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।