পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ২৯ সেপ্টেম্বর
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ২৯ সেপ্টেম্বর

সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর হবে : দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে কোনো তাড়াহুড়া নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, যখন সময় হবে, তখন নিশ্চয়ই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাবেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী এ কথা বলেন। এর আগে তিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নভেম্বরে দিল্লি সফরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমন্ত্রণ এখনো বহাল আছে। এটা নিয়ে মনে হচ্ছে না এবার কোনো তাড়াহুড়ার দরকার আছে। যখন সময় হবে, নিশ্চয়ই হবে। সবকিছুই ইতিবাচক আছে।’

যথাযথ সময় দেওয়ার কথা উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, একটা সময়ের মধ্যে সবকিছু ইতিবাচক হবে। তিনি ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইতিবাচক আছেন। বাংলাদেশের জনগণ ইতিবাচক আছেন।

দুই দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার কথাও উল্লেখ করেন ভারতের হাইকমিশনার। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা (পলিটিক্যাল কমপালশন) দুই দিকেই আছে। সামগ্রিকভাবে সবকিছু ইতিবাচক আছে।’

তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে নিজের আশাবাদের কথা জানিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমার এই আত্মবিশ্বাস আছে, যখন দুই প্রধানমন্ত্রী মনে করবেন যে সুবিধাজনক সময় হয়েছে, তখন সফরটি হবে।’

সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত পর্যায়ে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। বৈঠকে কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।

দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলোতে ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যৎমুখী ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ মনোভাব নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।