
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় এক নারীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার সকালে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪–এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এরশাদ আলম এ তথ্য জানান।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া চার আসামি হলেন শহিদুল ইসলাম (২৩), সাইফুল ইসলাম (২৫), নিজাম (২৪) ও মনির হোসেন ওরফে সেন্টু (২৬)।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাঁদের আরও ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এরশাদ আলম বলেন, কারাগারে থাকা শহিদুল, নিজাম ও মনিরকে আজ আদালতে হাজির করা হয়েছিল। রায়ের পর তাঁদের আবার কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক সাইফুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুসারে, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী নারী তাঁর বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচরের বেড়িবাঁধ এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। একপর্যায়ে বান্ধবী তাঁকে রেখে চলে যান। সন্ধ্যার দিকে আসামিরা ওই নারীকে জোর করে একটি নৌকায় তোলেন। মাঝনদীতে নৌকায় তাঁকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। পরে নারীকে কামরাঙ্গীরচরের একটি বাসায় আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে ভুক্তভোগী নারীর মা–বাবা সেখানে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন।
পরে এ ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় ধর্ষণের মামলা করেন ভুক্তভোগী। ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। মামলায় আটজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।