
বাজারে সাধারণত একটি কোম্পানি প্রথমে প্রাথমিক বা প্রাইমারি শেয়ারের মাধ্যমে প্রবেশ করে। প্রতিটি কোম্পানির শেয়ারের একটা অভিহিত মূল্য বা ফেস ভ্যালু থাকে। কোম্পানি যখন তার শেয়ারটি মার্কেটে ছাড়তে চায়, তখন সে অভিহিত মূল্যের সঙ্গে প্রিমিয়াম যুক্ত করে একটি নির্দিষ্ট টাকায় শেয়ারটি বিক্রি করতে চায়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদন দিলে কোম্পানিটি শেয়ার কেনার দরখাস্ত আহ্বান করে। যাকে বলা হয় ইনিশিয়াল পাবলিক অফার (আইপিও) বা প্রাথমিক গণপ্রস্তাব।
অভিহিত মূল্য বা ফেসভ্যালু হচ্ছে শেয়ারের মূল দাম। যদি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা হয়, প্রিমিয়ামসহ শেয়ারটির দাম ৫০ টাকা হলেও অভিহিত মূল্য ১০ টাকার ওপর ভিত্তি করে লভ্যাংশ দেওয়া হয়।
আইপিওতে আবেদন করে প্রাথমিক শেয়ারের মালিক হওয়া যায়। সেই কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার পরে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে তাদের শেয়ারের লেনদেন শুরু হয়। এ সময় লটারিতে পাওয়া প্রাথমিক বা প্রাইমারি শেয়ার যখন কেউ বিক্রি করে দেয়, তখন তা সেকেন্ডারি শেয়ারে পরিণত হয়। সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে ব্যবসা করতে হলে শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। দীর্ঘ মেয়াদে শেয়ারে ব্যবসা করতে সেকেন্ডারি মার্কেটই ভালো জায়গা।