আনিসুজ্জামান চৌধুরী
আনিসুজ্জামান চৌধুরী

গণ–অভ্যুত্থানের পরও বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল, ব্যতিক্রম ঘটনা: আনিসুজ্জামান চৌধুরী

বিশ্বের অনেক দেশে গণ–অভ্যুত্থান কিংবা আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের পর অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে। তবে বাংলাদেশ এই ক্ষেত্রে অনেকটাই ব্যতিক্রম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার অর্থবিষয়ক বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী।

আনিসুজ্জামান চৌধুরী আরও বলেন, বাংলাদেশের গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সরকার পরিবর্তনের পরও জিডিপিতে তেমন প্রভাব পড়েনি। মূল্যস্ফীতি উল্টো হ্রাস পেয়েছে।

আজ বুধবার রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত ‘ফরেন ইনভেস্টরস সামিট ২০২৫’ বা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্মেলন ২০২৫-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন আনিসুজ্জামান চৌধুরী। বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন করে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড।

আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক সাফল্যে এটা স্পষ্ট, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল। গত মাসে বৈশ্বিক শেয়ারবাজারের উত্থানে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল তৃতীয়। যে পুঁজিবাজার একসময় লুটপাটের শিকার হয়েছিল, সেই বাজারে এক মাসে এমন উত্থান ঘটেছে। এটি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

প্রধান উপদেষ্টার অর্থবিষয়ক বিশেষ সহকারী আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর শক্তিশালী ও সুশাসিত পুঁজিবাজার গড়ার জন্য কাজ করছে। ‘তিন শূন্য’: শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্য অর্জনে এই প্রচেষ্টা।

এ সময় বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখন ভালো সুযোগ। আমাদের পুঁজিবাজারও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত। শুধু বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নয়, এই বার্তা দেশীয় বিনিয়োগকারীদের কাছেও পৌঁছে দিতে চান বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসানুর রহমান। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার মোহাম্মদ মোহসিন চৌধুরী, ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেহেরিয়ার এম হাসান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমান।