
আল–আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদে পুরোনো শেয়ারধারীদের ফিরিয়ে এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে থাকা পর্ষদ সদস্যদের পাশাপাশি পুরোনো শেয়ারধারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে ১৪ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ–সংক্রান্ত একটি চিঠি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আরিফ হোসেন বলেন, ‘ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতি হওয়ার কারণে আগের উদ্যোক্তাদের কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্য যেসব ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাদের উদ্যোক্তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এই ব্যাংকের ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন। তাই তাদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
পর্ষদে নতুন যুক্ত হওয়া ১৪ সদস্য হলেন বদিউর রহমান, সেলিম রহমান, আহামেদুল হক, রফিকুল ইসলাম, ইমাদুর রহমান, নাজমুল আহসান খালেদ, খলিলুর রহমান, আনোয়ার হোসাইন, আবদুস সালাম, লিয়াকত আলী চৌধুরী, এনায়েত উল্লা, কেডিএস গার্মেন্টসের প্রতিনিধি পরিচালক মাহবুব আহমেদ, কেডিএস টেক্সটাইলের পক্ষে প্রতিনিধি পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও কেওয়াই স্টিল মিলের পক্ষে প্রতিনিধি পরিচালক শরিফ উদ্দিন তসলিম।
আল–আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর পাঁচ সদস্যের স্বতন্ত্র পরিচালকে চলছিল ব্যাংকটি। এখন নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ায় পর্ষদের সদস্যসংখ্যা হলো ১৯।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন এস আলমের (সাইফুল আলম) ভাই আবদুস সালাম লাবু।
২০২৪ সালের আগস্ট–পরবর্তী সময়ে আল–আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে খাজা শাহরিয়ারকে স্বতন্ত পরিচালক নিয়োগ করে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পর্ষদের অন্য সদস্যরা হলেন মো. শাহীন উল ইসলাম, মো. আবদুল ওয়াদুদ, এম আবু ইউসুফ ও মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান। এখন ১৯ সদস্যের পর্ষদ নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেবে বলে জানা গেছে।