আগামী অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের ওপর নতুন করে শুল্ক-কর বাড়বে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। তিনি বলেন, ‘সিগারেটের ওপর ৮৩ শতাংশের বেশি শুল্ক-কর যাওয়ার উপায় নেই। তবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের দাম দেখে হয়তো দাম পুনর্নির্ধারণ করা যায়। কারণ, এত কম দামে আমাদের আশপাশের কোনো দেশে সিগারেট পাওয়া যায় না।’
আজ সোমবার আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে তামাক খাতের সাতটি সংগঠনের সঙ্গে এনবিআরের প্রাক্-বাজেট আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়ে এ কথা বলেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
সভায় ন্যাশনাল সিগারেট ম্যানুফ্যাকচারার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অবৈধ সিগারেট আমদানি বন্ধের দাবি জানানো হয়। সংগঠনটির পক্ষে আবুল খায়ের গ্রুপের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড লিগ্যাল বিভাগের প্রধান শেখ শাবাব আহমেদ বলেন, অবৈধ সিগারেট আমদানি বন্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘অবৈধ কারবার বন্ধে আমরা সিগারেটের গায়ে এয়ার কোড বসিয়ে দেব।’
ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর পক্ষ থেকেও অবৈধ সিগারেটকে এ খাতের সব সময়ের একটি ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। জাপান টোব্যাকোর পক্ষ থেকে বলা হয়, সিগারেটে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি করারোপ করা দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। তাই আর কর না বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়।
অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সিমকার্ড পরিবর্তনে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। সংগঠনটির মহাসচিব মোহাম্মদ জুলফিকার বলেন, কারও সিম কার্ড হারিয়ে গেলে আবার ৩০০ টাকা ভ্যাট দিতে হয়। এটা দ্বৈত করারোপ হয়ে যায়। তাই এটা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ থেকে অবৈধ ও অনানুষ্ঠানিক (আনঅফিশিয়াল) মুঠোফোনের আমদানি রোধে সরকারকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।